Friday, May 24, 2019

Going concern for Electronic Wastes

Wastes especially electronic wastes have been increasing at a high rate.
 Increased amount of wastes (electronic wastes) has been faced by many governments, for which they are looking for possible and effective solutions.
All these electronic wastes like the used electronic goods that we consumers throw off whenever we purchase a current one, the expired electronic goods, outdated ones, etc., are a huge problem or rather say danger we are facing today. As unlike other wastes, these wastes radiate harmful rays, discharge poisonous chemicals and are not biodegradable. Therefore they remain and go on causing harm to the whole ecosystem.
What government generally uses to do is they dump the wastes outside the cities, in a remote place. Some rules are there regarding the minimum distance from the local habitats, can't just dump them in open, digging ground and dumping and then covering it up again is the proper way. How much deep hole is to be dug is again done according to the government rules. All these rules were made after proper scientific experiments and by expert’s suggestions.
But the main problem associated with this remedy is that the space is limited and the wastes have been increasing day-by-day. We are running out of appropriate space to dump them safely.
Also, dumping them inside the ground doesn't stop them from emitting harmful chemicals that through soil goes and mix up with the underground water (though to prevent this the wastes are dumped into deeper layers much below the layer where the underground water is present). These chemicals travels underground and mix with the water bodies, which is a bigger concern.
Thus, governments and environmentalists are looking for alternative options.

Many policies were suggested by various experts and researchers among which the most accepted one is the "Extended Role/Duty/Responsibility of the Producers". That is basically, the producers of the various electronic goods would take up the responsibility of their respective used, expired, rejected, outdated or thrown products. Mostly what they do is they either buyback their products or there is a scheme where the consumers can return it back to the respective producer company and then the companies recycle them.
 But the biggest challenge is to make this happen that is to run this whole circular path/system, where a product gets produced and after its lifecycle comes back to the same place to get used in recycling process.
Now the question is how to achieve this?
Will take this up in my next writing.

Monday, May 20, 2019

Loneliness

Most people feel lonely at some point during their lives. We tend to be lonelier when young and also when old. Loneliness is subjective, one can feel lonely even when surrounded by many companions and someone can still feel contended even when being alone. “A teenage girl may feel lonely if she has only two good friends, whereas an 80-year-old woman may feel very connected because she still has two good friends,” by researchers Maike Luhmann and Louise C. Hawkley.
According to one research review, until age seven, young children are mostly looking for someone to play and have fun with. Then, it becomes important to have a close friend, someone you can talk to who is on your side. Peer groups soar in importance in the early teen years, when belonging and being accepted feel critical. As we head into our 20s, our needs for intimacy grow, including the validation and understanding that close friends can provide.
People with lower income are lonelier in middle age than people with higher income, more so than in young or old adulthood. People who are struggling financially can feel ashamed of their means, while everyone around them seems to be comfortably successful.
Loneliness also seems to spike when we develop health problems before our time. This creates a difference from others and thus contribute to our loneliness. Whereas someone having a health issue in old age is completely normal and doesn't feel different from the social group.
What’s the best response to loneliness?
Loneliness is more about our state of mind. Rather than focusing on how people are not there for us, perhaps we can be there for someone else. Joining a class automatically exposes us to a group of people who share at least one of our interests. It can also provide a sense of belonging that comes with being part of a group. Becoming a volunteer for a cause we believe  in can provide the same benefits as taking a class. We can always get a pet or say strengthening our existing bonds will also help.
Loneliness if not taken seriously might cause mental illness and if signs are prominent, it's best to consult a doctor. Remember it's never too late and nothing is more costlier than our mental peace.

Thursday, May 16, 2019

মহালয়া ও আমার কিছু স্মৃতি


আমার কাছে মহালয়া মানে ঝকঝকে নীল আকাশে ছড়িয়ে থাকা টুকরো টুকরো ধবধবে সাদা মেঘ, একরাশ শিউলি,এখানে সেখানে গজিয়ে ওঠা লম্বা লম্বা কাশফুলের ঝাড় আর শিশিরে ভেজা নরম নরম দূর্বা ঘাস। বিকেলে  খেলতে গিয়ে দেখতে পেতাম হঠাৎ করে ঝাঁকে ঝাঁকে চকচকে লাল নীল সবুজ হলুদ বড় বড় ফড়িংয়ের ওড়াউড়ি, দু এক দিন আগেও যাদের অস্তিত্ব চোখে পড়ে নি।
                আসলে আমাদের ছোটবেলায় দেখেছি ক্যালেন্ডারের পাতা বদলের সাথে সাথে বদলে যেত প্রকৃতি ... আমরা ছোটরা চারপাশের সেই বদল দেখেই বুঝে যেতাম মা আসছেন। আর মহালয়ার দিন এই সত্যি টা প্রতিষ্ঠা পেত।
               দুর্গা ঘরে অনেক দিন আগে থেকে ই শুরু হয়ে যেত মূর্তি গড়ার কাজ আর সেই কাজ কতদূর এগোলো দেখার জন্য প্রতিদিন দু বেলা ধর্ণা দিতাম দুর্গা ঘরে। হ্যাঁ সবাই দুর্গা ঘর ই বলত, মন্দির বা মঞ্চ বলত না। কিন্তু মূর্তি তৈরির কাজ এতো ধীর গতিতে এগোতো যে আমরা অধৈর্য আর হতাশ হতাম। কখনো কোনও রবিবারে হয়তো কুমোর জেঠুর কাছ থেকে একমুঠো মাটি চেয়ে এনে বাবা কে দিয়ে পুতুল বানিয়ে নিতাম। তখন তো আমরা এইরকম ঘরে তৈরি মাটির পুতুল(অনেক টা জগন্নাথ দেবের মতো হাত পা ছাড়া ) নিয়ে খেলতাম। সেই পুতুল দের আবার ঘটাপটা করে বিয়ে ও দেওয়া হতো।
                    যাই হোক! ওদিকে মূর্তি তৈরির কাজ চলত আর এদিকে ঘরে ঘরে শুরু হতো সদ্য বিদায় নেওয়া বর্ষার জলে পুষ্ট হয়ে ওঠা আগাছার জঙ্গল কেটে ঘরদোর সাফাই এর কাজ। তারপর তো হৈ হৈ করে পুরো পাড়া জুড়ে চলত নাড়ু মিঠাই খই মুড়কি বানানো । সে যে কতরকমের নাড়ু! নাড়কেল নাড়ু, চিঁড়ের নাড়ু, সেউই নাড়ু, বোঁদের নাড়ু, মুড়ির মোয়া, বাদাম চাক আরও কত কিছু! পূজোর কদিন যেন সারাক্ষণ সকলে মিষ্টি মুখে থাকে তার ব্যবস্থা করতে হবে তো!  পাক দেওয়া গুড়ের মিষ্টি গন্ধ বাতাসে মিশে পূজো পূজো আমেজটাকে আরও শক্তিশালী করে তুলত।
                  এই করতে করতে চলে আসত মহালয়া। আগের দিন থেকেই প্রস্তুতি শুরু হয়ে যেত.... রেডিও টা ঠিক ঠাক আছে তো?রাতে ই রেডি করে রাখা হতো রেডিও, ভোরবেলা  ঠিক সময় উঠে শুধু চালিয়ে দেওয়া। শুরু থেকেই যেন শুনতে পাই, একটু ও বাদ না পড়ে! উঃ! সে যে কি উত্তেজনা!
                    পরদিন ভোরবেলায় প্রত্যেক বাড়ি থেকে ভেসে আসা বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের গম্ভীর গমগমে গলার স্বর আর আগমনীর পবিত্র সুরের মায়া ছড়িয়ে পড়ত চারিধারে চারিপাশে ।বছরে শুধু এই একটা দিনই খুব উৎসাহ নিয়ে নিজের ইচ্ছেয় ভোরবেলায় উঠতাম আর অবাক হয়ে দেখতাম কেমন করে সুরের আলো ভূবন ফেলে ছেয়ে....